
নজরুল ইসলাম খান আরও বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দেশের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্বের কারণে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁকে ব্যক্তিগত শত্রু হিসেবে গণ্য করেছিল। স্বৈরশাসকদের বিরুদ্ধেও তিনি আপস করেননি, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের প্রশ্নে অটল ছিলেন। ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে থেকে তিনি দলকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১৯৯১ সালে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় ফিরে আসে। দেশের মানুষের স্বার্থে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য তিনি লড়াই করেছেন, অসংখ্য উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন এবং জনগণের প্রকৃত সমর্থনে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। নজরুল ইসলাম খান বলেন, খালেদা জিয়ার জীবন ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতিকদের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি শেষ পর্যন্ত দেশের মাটিতেই শহীদ স্বামীর পাশে সমাহিত হবেন এবং বিএনপি তাঁর আদর্শের পথে জনগণের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাবে।